পটুয়াখালী প্রতিনিধি :গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বড় গাবুয়া গ্রামে পুকুরে গ্যাস বড়ি (এক ধরনের বিষ) দিয়ে মাছ নিধন করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী মৃত্যু কালু খাঁ এর ছেলে মোঃ মালেক খাঁন, মোঃ জাহাঙ্গীর খাঁন, জাহাঙ্গীর খাঁন এর ছেলে সাহাবুদ্দিন খাঁন, মোঃ শাহিন খান। বুধবার গভীর রাতে মোসাঃ রুনা আক্তারের পুকুরে এ ঘটনা ঘটানো হয়। এতে ওই মাছ চাষির লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। সম্প্রতি ওই দুর্বৃত্তরা রাতের আধারে বিভিন্ন পুকুর, মাছের ঘেরের মাছ মারার ঔষাদ দিয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত মাছ চাষি মোসাঃ রুনা আক্তার বলেন, ধার-দেনা করে নিজেদের প্রায় এক একর জলাকারের পুকুরে বানিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করেছিলাম। রেনু পোনা, খাদ্য ক্রয়সহ এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ করেছি। আশা ছিল আর কিছুদিন পরে মাছ বিক্রির মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকা আসবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে মালেক খান, জাহাঙ্গীর খাঁন, সাহাবুদ্দিন খাঁন, শাহিন খাঁন গ্যাস বড়ি দিয়ে পুকুরের সব মাছ মেরে দিয়েছে। পুকুরে নেমে গ্যাস বড়ির বোতলও পাওয়া গেছে। কলা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।
সরেজমিনে গেলে প্রতিবেশী অনেকে জানান, রুনা আক্তার বড় গাবুয়া গ্রামের একজন পরিশ্রমী ও সৎ নাড়ী। এমন সহজ সরল মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে এটা ভাবাও যায় না। পুকুরের মাছ দেখে এটা এক ধরনের নৃশংসতা মনে হয়েছে।
গোলখালী ইউনিয়নের সুশীল সমাজ মনে করছে অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে, এ কারনে এ ধরনের অপরাধ বেড়েই চলেছে। অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা না করতে পারলে, তারা আরও বড় ধরনের অপরাধ সংগঠিত করবে বলে আশঙ্কা করছে তারা।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, মাছ দেখেছি। অভিযোগ পেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী মালেক খাঁনের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, আমরা করো পুকুরে কোন ধরনের বিষ টেবলেট দেই নাই। তাদের সাথে আমাদের কোন শত্রুতা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *